সিলেটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক উৎসবে মুগ্ধ দর্শক

১ অক্টোবর ২০১৯ মুক্ত মতামত, শিক্ষা-ক্যাম্পাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বার পঠিত হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশের এক প্রান্তিক জনপদ সিলেট জেলা। এই জেলায় রয়েছে বিচিত্র সব জনগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির এক অনুপম বর্ণ-বৈচিত্র্যও। দেশের প্রধান জনগোষ্ঠী বাঙালি জাতিসত্তার পাশাপাশি সিলেটে বাস করে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মণিপুরী, খাসিয়া, পাত্র, গারো, উরাং (ওঁরাও), মাল (মালো) এবং বিভিন্ন চা শ্রমিক জনগোষ্ঠী। প্রতিটি জনগোষ্ঠীরই রয়েছে নিজস্ব জীবন, ভাষা ও সংস্কৃতির এক স্বতন্ত্র সৌন্দর্য।ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের নিয়ে সিলেটের শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দেখে মুগ্ধ হন উপস্থিত সকলে।ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সমন্বয়ে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৯’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নগরীর পূর্ব শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের সভাপতিত্বে উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদের সভাপতি এ কে শেরাম, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাপস দাস পুরকায়স্থ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি গৌরাঙ্গ পাত্র এবং বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট ভ্যালী কার্যকরী পরিষদের সভাপতি রাজু গোয়ালা, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক প্রণব কান্তি দেব ও কারিতাস সিলেট রিজিওনের ভারপ্রাপ্ত আরডি বনিফাস্ট খংলা।

একাডেমির আবৃত্তি বিভাগের প্রশিক্ষণার্থী মাসুদ পারভেজ ও নাফিসা তানজিনের সঞ্চালনায় আলোচনাপর্ব শেষে সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী মণিপুরী, খাসিয়া, গারো, পাত্র ও চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব ভাষায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। এছাড়াও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণার্থী এবং ছন্দ নৃত্যালয়ের শিল্পীরা দলীয় সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।