সরকারীভাবে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমবড়লেখায় লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিতহলেন ধান বিক্রেতা ৭৪৩ কৃষক

১৩ মে ২০২০ এম কন্ঠ স্পেশাল, কৃষি, অর্থ ও বানিজ্য, মৌলভীবাজার, সিলেট বার পঠিত হয়েছে

বড়লেখা প্রতিনিধি :বড়লেখায় সরকারীভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে লটারীর মাধ্যমে ধান বিক্রেতা ৭৪৩ জন কৃষককে নির্বাচন করা হয়েছে। উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকার ১০৩১ জন কৃষক বোরো ধান বিক্রয়ের জন্য তালিকাভুক্ত হন। উপজেলা খাদ্য ও কৃষি বিভাগ কৃষক বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর আগে কৃষক তালিকা প্রণয়ন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেবল সরকার।

জানা গেছে, বড়লেখার বিভিন্ন অঞ্চলের বোরো চাষীর নিকট থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে সরকারীভাবে ৭৪৩ মে. টন ধান ক্রয় করার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা খাদ্য বিভাগ। প্রকৃত কৃষক যাতে সরকারী দরে ধান বিক্রয় থেকে বঞ্চিত কিংবা কোন ধরণের হয়রানীর শিকার না হন সেজন্য এবার কৃষক বাছাইয়ে স্বচ্ছতা আনতে উপজেলা প্রশাসন ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। জনপ্রতি কৃষক ১ টন ধান বিক্রয় করার নিয়ম রয়েছে। উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ১ পৌরসভা এলাকা থেকে সর্বমোট ১০৩১ জন বোরো চাষী ধান বিক্রয়ের জন্য তালিকাভুক্ত হন। এদের মধ্য থেকে লটারীর মাধ্যমে ৭৪৩ জন কৃষককে বছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত এসব কৃষক ব্যতিত কেউ ধান বিক্রয় করতে পারবে না।

উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কৃষক নির্বাচনের লটারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেবল সরকার, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলার আব্দুল মালিক ঝুনু ছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, নির্বাচিত কৃষক স্বশরীরে উপস্থিত থেকে ধান বিক্রয় করতে হবে। কার্ডধারী তালিকাভুক্ত কৃষক ব্যতিত অন্য কেউ খাদ্যগোদামে যেতে পারবেন না। অভিযোগ রয়েছে, অতীতে অনেক কৃষক সিন্ডিকেটের কাছে কৃষক কার্ড বিক্রি করে দিতেন। এবার কোন কৃষক কৃষিকার্ড বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট চালানো হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।