রাশিয়ায় লকডাউন শিথিলের ঘোষণার দিনই নতুন সংক্রমণের রেকর্ড

১২ মে ২০২০ অপরাধ, আন্তর্জাতিক, এম কন্ঠ স্পেশাল, কৃষি, অর্থ ও বানিজ্য, জাতীয়, প্রবাসের খবর, শীর্ষ সংবাদ, সংবাদ শিরোনাম বার পঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়ায় লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। দেশটিতে সংক্রমণের হার যখন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে তখনই এক টিভি ভাষণে সোমবার এ ঘোষণা দেন পুতিন।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লকডাউন শিথিলের ঘোষণার দিনই রাশিয়ায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ সংখ্যা ১১ হাজার ৬৫৬। দেশটিতে সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ৩৪৪ জনে। মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৯ জনের। আক্রান্তের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ব্রিটেনের পরই রাশিয়ার অবস্থান।

পুতিন বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ছয় সপ্তাহ ধরে লকডাউন কার্যকর ছিল রাশিয়ায়। এই সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া লকডাউনের কারণে বহু জীবনও বেঁচেছে।রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হবে ধীরে ধীরে। বড় ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ থাকবে। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ঘরে থাকতে হবে। কেবল আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নির্মাণ ও কৃষির মতো কয়েকটি খাতের কর্মীরা কাজে ফিরবেন। তবে তাদেরকেও সতর্ক থেকে কাজ করতে হবে। আঞ্চলিক সরকারগুলো পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শেষ হতে এখনও অনেক দিন বাকি বলে মনে করেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘বিপদ এখনও রয়েই গেছে’। নতুন করে সংক্রমণ শুরু হোক তা কোনো মতেই চান না রুশ প্রেসিডেন্ট।পুতিনের এ ঘোষাণা আসার একদিন আগে মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবয়ানিন রাজধানীতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন। সের্গেই বলেছেন, মস্কোয় লকডাউন কার্যকর থাকবে ৩১ মে পর্যন্ত।তবে মস্কোর নির্মাণ ও শিল্প-কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে পারবেন। শহরটিতে যারা গণপরিবহন ব্যবহার করবেন বা দোকানে যাবেন তাদের অবশ্যই মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরতে হবে। মস্কোর বাসিন্দারা এখনও জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে যেতে পারবেন না। রাশিয়ায় আক্রান্ত ও মৃতদের বেশিরভাইগই মস্কোর বাসিন্দা।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।