নিজের যোগ্যতা দিয়ে চলচ্চিত্র দর্শকদের মন জয় করতে চাই : কাজী শিলা

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বিনোদন ও বিচিত্রা বার পঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: খুব অল্প বয়সেই এই কথার মানেটা হয়তো বুঝতে চেষ্টা করেছিল খুলনার মেয়ে কাজী শিলা। সাহিত্যের গভীরে যেতে না পারলেও, রুপালি পর্দার গভীরতা অনুধাবন করতে পেরেছিল। সেই ছেলেবেলা থেকেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিলাকে খুব আকৃষ্ট করত। সেই জন্য হয়তো রুপালি পর্দার চিত্রনায়িকা শাবনূরকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যেত। চিত্রনায়িকা শাবনূরকে দেখে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নকে ভুলে, মনের মাঝে নায়িকা হওয়ার স্বপ্নের জাল বুনতে শুরু করে শিলা। বাবা সাইফুল ইসলাম ও মা চম্পা ইসলাম সাথীর একমাত্র আদরের মেয়ে শিলা। বাবার ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণে মায়ের সাথেই বড় হয়ে ওঠে শিলা।

ছেলেবেলা থেকেই মায়ের স্বপ্ন ছিল একমাত্র মেয়েকে সম্ভাব্য সব বিষয়ে দক্ষ করে তোলার। তৃতীয় শ্রেণিতে থাকা অবস্থায়, মা শিলাকে ক্লাসিক্যাল ড্যান্স, মার্শাল আর্ট এবং গানের চর্চার স্কুলে দেন। তখনকার শখের বসে চর্চাগুলো আজ হাঁটি হাঁটি পা পা করে এসে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে। লেখাপড়া করার পাশাপাশি খুলনাতে নৃত্যানুষ্ঠান ও বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন শিলা। মনের অজান্তেই মায়ের স্বপ্নগুলো শিলার মধ্যে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে থাকে। এর জন্যই লেখাপড়া করতে ঢাকায় আসার পরও চলচ্চিত্রের নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন মুছে দেয়নি। তারই রেশ ধরে ‘ফেরারী প্রেম’ নামে চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে নায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।অনেক বাধা বিপত্তি থাকা সত্ত্বেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ দিতেই শিলার চলচ্চিত্রে যাত্রা। মায়ের পাশাপাশি ফুপাতো ভাই শুভ এবং একমাত্র ছোট ভাই রিয়াজ উদ্দিন বাপ্পী শিলার এ স্বপ্ন পূরণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

চলচ্চিত্রে কাজ করার পাশাপাশি শিলার ইচ্ছা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন এ দেশের চলচ্চিত্রকে ভালোবাসে এবং চলচ্চিত্র নিয়ে সমাজের ভেতর যে ভ্রান্ত ধারণা আছে তা যেন দূর হয়ে যায়।এ জন্যই শিলা তার অভিনয় এবং যোগ্যতা দিয়ে চলচ্চিত্রের অগণিত দর্শকদের মন জয় করতে চায়। আশা করা যায় খুব শিগগিরই ‘ফেরারী প্রেম’ ছবিটি দর্শক সিনেমা হলের পর্দায় দেখতে পাবেন। কাজী শিলা বলেন, নিজের যোগ্যতা দিয়ে চলচ্চিত্র দর্শকদের মন জয় করতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।