কমেছে হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি ধনী দেশগুলোতে মধ্যবয়স্ক জনসংখ্যার সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ এখন ক্যান্সার

৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এম কন্ঠ স্পেশাল, জাতীয়, ফিচার ও কলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, রূপচর্চা, স্বাস্থ্যসেবা বার পঠিত হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক :  নূর মাজিদ : বক্ষব্যাধিকে ছাড়িয়ে উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে মধ্যবয়স্কদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় ঘাতক রোগ ক্যান্সার। বৈশ্বিক গবেষণা জার্নাল ল্যানসেট প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে। বিশ্বের ২১টি দেশের প্রায় ২ লাখ ব্যক্তির জীবনযাত্রার ওপর এই গবেষণা করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন কানাডার ম্যাকমাস্টার বিশ্ব বিদ্যালয়য়ের গবেষকদল। খবর : বিবিসি।

বিশ্বব্যাপী হৃদরোগ এবং স্ট্রোক মধ্যবয়স্কদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। কিন্তু,ম্যাকমাস্টার গবেষকরা বলছেন, ধনী দেশের একই বয়সের ব্যক্তিদের হৃদরোগের চাইতে ক্যান্সারে মৃত্যুর ঝুঁকি আড়াই গুণ বেশি। অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোতে এর বিপরীত চিত্রই সত্য। এসব দেশে ক্যান্সারের চাইতে হৃদরোগে মধ্যবয়স্কদের মৃত্যুঝুঁকি ৩গুণ বেশি। ২০০৫ থেকে ২০১৬ সাল নাগাদ ধনী এবং দরিদ্র দেশের ১ লাখ ৬০ হাজার রোগীর ওপর এটা পরিচালনা করা হয়। এদের সকলের বয়সই ছিলো কমপক্ষে ৫০ বছর।

এসব রোগীর মাঝে ১১ হাজার জন গবেষণার মেয়াদেই মারা যান। দরিদ্র দেশের রোগীদের ক্ষেত্রে এই মৃত্যুহার ছিলো উচ্চ আয়ের দেশগুলোর চাইতে চারগুণ বেশি। তবে প্রায় ২ হাজার রোগীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মধ্য এবং স্বল্প আয়ের দেশের রোগীরা ধনী দেশের তুলনায় হৃদ এবং ফুসফুসের সমস্যাজনিত রোগে ৪০ শতাংশ বেশি মারা গেছেন। উন্নত দেশে এই হার ছিলো এক-তৃতীয়াংশ কম। উচ্চ আয়ের দেশের উন্নত স্বাস্থ্যসেবার কারণেই হৃদযন্ত্রের সমস্যায় মৃত্যুহার কম, ব্যাখ্যা গবেষকদের।

উন্নত দেশগুলোর জন্য এটা একটা বড় অর্জন, বলেন ব্রিটিশ হার্ট ফাইন্ডেশনের জেরেমি পিয়ারসন। তিনি বলেন, হাসপাতালে ভর্তির সুবিধা, উন্নত সেবা ও চিকিৎসার কারণেই উন্নত দেশের অনেক ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাকের পর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি। সাম্প্রতিক গবেষণা সেটাই তুলে ধরেছে। উন্নত দেশে হৃদযন্ত্রের চিকিৎসায় যে বিশাল অর্জন এসেছে সেটাও এই গবেষণায় উঠে এসেছে। তবে স্ট্রোকের পর মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও শারীরিক অক্ষমতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।