ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে কমলগঞ্জ পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত

১৪ আগস্ট ২০১৯ এম কন্ঠ স্পেশাল, পরিবেশ ও পর্যটন, মৌলভীবাজার, সিলেট বার পঠিত হয়েছে

সালাহ্উদ্দিন শুভ: পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অপরুপ লীলাভ‚মি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এ উপজেলায় টিলাঘেরা সবুজ চা বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, ছায়া নিবিড় পরিবেশে অব¯ি’ত নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, ঝর্নাধারা হামহাম জলপ্রপাত, ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী ধলই চা বাগানে অব¯ি’ত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদু0325র রহমানের স্মৃতিসৌধ, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জীবন ধারা ও সংস্কৃতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই জনপদ পর্যটকদের মন ও দৃষ্টি কেড়ে নেয়। পবিত্র ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে এসব আকর্ষনীয় পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছিল।
ঈদের দিন বিকেল থেকেই মাধবপুর লেক আর লাউয়াছড়া উদ্যানে দেখা মিলে ভ্রমন পিপাসুদের। এদের মধ্যে সপরিবারে ঘুরতে আসা সরকারী কর্মকর্তাদের উপ¯ি’তি ছিল উল্লেখযোগ্য। ঈদের ছুটিতে যেন মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয় প্রকৃতির সৌন্দর্য্যরে অপার লীলা নিকেতন সবুজ বনের লাউয়াছড়া উদ্যান আর পদ্মকন্যা মাধবপুর লেকটি। উদ্যানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সামাল দিতে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি পর্যটন পুলিশ সদস্যদের হিমশিম খেতে দেখা যায়। লাউয়াছড়া উদ্যানের ট্যুরিষ্ট গাইডরা জানান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এর জীববৈচিত্র দেখতে ঈদের দিনের চেয়ে মঙ্গল-বুধবারে লোকজনের উপ¯ি’তি ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি।
দেশের ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপার লীলাভ‚মি কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মাঝে সবচেয়ে দর্শণীয়, নান্দনিক ও আকর্ষণীয়। পশুপাখি, বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস¯’ল। এ উদ্যানে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সবুজ বৃক্ষরাজি। বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় জীব উল্লুকসহ কয়েকটি জš‘ ও বিলুপ্ত প্রায় কয়েকটি মূল্যবান গাছ গাছালির শেষ নিরাপদ আবাস¯’ল হলো লাউয়াছড়া। এই উদ্যান ভ্রমন পিপাষুদের জন্য এখন একটি আকর্ষনীয় ¯’ান। ১৯৯৬ সালে ১২৫০ হেক্টর এলাকা নিয়ে লাউয়াছড়াকে ঘোষণা করা হয় জাতীয় উদ্যান হিসেবে। লাউয়াছড়ায় বেড়াতে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, ‘লাউয়াছড়ার বন একটি সমৃদ্ধ বন। প্রকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্য্য আর পশু পাখির মিলন¯’ল যে কেউ দেখলে মন জুড়িয়ে যাবে।’


কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর চা বাগানে নয়নাভিরাম মনোরম দৃশ্য মাধবপুর লেকে বিপুল পরিমাণ পর্যটকদের ঢল নেমেছে এই ঈদে। পাহাড়ি টিলার উপর সবুজ চাবাগানের সমারোহ, জাতীয় ফুল দুর্লভ বেগুনী শাপলার আধিপত্য, ঝলমল স্ব”ছ পানি, ছায়া নিবিড় পরিবেশ, শাপলা শালুকের উপ¯ি’তি আনন্দের বাড়তি মাত্রা যুক্ত করেছে। মাধবপুর চা বাগানে অব¯ি’ত মাধবপুর লেকে সকল শ্রেনীপেশার মানুষের উপ¯ি’তি ছিল লক্ষ্যনীয়। লেকের চারপাশে বিশাল টিলায় সারিবদ্ধ ছোট-বড় গাছ আর সবুজ চা গালিচার টিলার মাঝখানে জলরাশি। টলটলে রূপালী জলের সঙ্গে দিবা-নিশির মিতালি করছে নীল পদ্মফুল। জলের আলো ছায়ার নীল পদ্মের লুকোচুরি খেলা মনমুগ্ধ করে আগত পর্যটকদের। প্রকৃতি অপরূপ সাজে সেজে নিজের রূপ দিয়েই আকর্ষণীয় হয়ে উঠায় জলের পদ্মকন্যার মায়ায় আকড়ে ধরে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের। তার এই মনোরম সৌন্দর্য্য দর্শনে ঈদের ছুটিতে প্রকৃতি প্রেমীরা ছুটে আসেন মাধবপুর লেকে। নয়নভিরাম এ জলারণ্য দল বেঁধে দেখতে গত বছরের তুলনায় এ বছর দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আগমন বেশি ঘটে বলে জানান লেকের প্রধান ফটকে দায়িত্বে থাকা বাবুল সরকার। মাধবপুর লেকে বেড়াতে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, ‘মাধবপুর লেক দেখলে নয়ন জুড়িয়ে যায়। এখানে বার বার আসতে মন চাইবে।’
কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিঃমিঃ পূর্ব-দক্ষিণে রাজকান্দি বন রেঞ্জের কুরমা বনবিট এলাকার প্রায় ১০ কিঃমিঃ অভ্যন্তরে দৃষ্টিনন্দন ঝর্ণাসুন্দরী হামহাম জলপ্রপাত দেখে এসে ঢাকার কয়েকজন পর্যটক জানান, ‘মাধবকুন্ডের চেয়েও সুন্দর হামহাম জলপ্রপাত। প্রায় ১০ কি:মি: পায়ে হেটে গেলেও মুগ্ধ হই সেখানে গিয়ে।’
সবার ছুটোছুটিতে পর্যটন স্পটগুলো যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সব মিলিয়ে পর্যটনের জেলা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আনন্দ ও উৎসবে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদ উল আযহা।

সালাহ্উদ্দিন শুভ:
পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অপরুপ লীলাভ‚মি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এ উপজেলায় টিলাঘেরা সবুজ চা বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, ছায়া নিবিড় পরিবেশে অব¯ি’ত নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, ঝর্নাধারা হামহাম জলপ্রপাত, ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী ধলই চা বাগানে অব¯ি’ত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জীবন ধারা ও সংস্কৃতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই জনপদ পর্যটকদের মন ও দৃষ্টি কেড়ে নেয়। পবিত্র ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে এসব আকর্ষনীয় পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছিল।
ঈদের দিন বিকেল থেকেই মাধবপুর লেক আর লাউয়াছড়া উদ্যানে দেখা মিলে ভ্রমন পিপাসুদের। এদের মধ্যে সপরিবারে ঘুরতে আসা সরকারী কর্মকর্তাদের উপ¯ি’তি ছিল উল্লেখযোগ্য। ঈদের ছুটিতে যেন মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয় প্রকৃতির সৌন্দর্য্যরে অপার লীলা নিকেতন সবুজ বনের লাউয়াছড়া উদ্যান আর পদ্মকন্যা মাধবপুর লেকটি। উদ্যানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সামাল দিতে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি পর্যটন পুলিশ সদস্যদের হিমশিম খেতে দেখা যায়। লাউয়াছড়া উদ্যানের ট্যুরিষ্ট গাইডরা জানান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এর জীববৈচিত্র দেখতে ঈদের দিনের চেয়ে মঙ্গল-বুধবারে লোকজনের উপ¯ি’তি ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি।
দেশের ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপার লীলাভ‚মি কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মাঝে সবচেয়ে দর্শণীয়, নান্দনিক ও আকর্ষণীয়। পশুপাখি, বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস¯’ল। এ উদ্যানে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সবুজ বৃক্ষরাজি। বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় জীব উল্লুকসহ কয়েকটি জš‘ ও বিলুপ্ত প্রায় কয়েকটি মূল্যবান গাছ গাছালির শেষ নিরাপদ আবাস¯’ল হলো লাউয়াছড়া। এই উদ্যান ভ্রমন পিপাষুদের জন্য এখন একটি আকর্ষনীয় ¯’ান। ১৯৯৬ সালে ১২৫০ হেক্টর এলাকা নিয়ে লাউয়াছড়াকে ঘোষণা করা হয় জাতীয় উদ্যান হিসেবে। লাউয়াছড়ায় বেড়াতে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, ‘লাউয়াছড়ার বন একটি সমৃদ্ধ বন। প্রকৃতিক অপরুপ সৌন্দর্য্য আর পশু পাখির মিলন¯’ল যে কেউ দেখলে মন জুড়িয়ে যাবে।’
কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর চা বাগানে নয়নাভিরাম মনোরম দৃশ্য মাধবপুর লেকে বিপুল পরিমাণ পর্যটকদের ঢল নেমেছে এই ঈদে। পাহাড়ি টিলার উপর সবুজ চাবাগানের সমারোহ, জাতীয় ফুল দুর্লভ বেগুনী শাপলার আধিপত্য, ঝলমল স্ব”ছ পানি, ছায়া নিবিড় পরিবেশ, শাপলা শালুকের উপ¯ি’তি আনন্দের বাড়তি মাত্রা যুক্ত করেছে। মাধবপুর চা বাগানে অব¯ি’ত মাধবপুর লেকে সকল শ্রেনীপেশার মানুষের উপ¯ি’তি ছিল লক্ষ্যনীয়। লেকের চারপাশে বিশাল টিলায় সারিবদ্ধ ছোট-বড় গাছ আর সবুজ চা গালিচার টিলার মাঝখানে জলরাশি। টলটলে রূপালী জলের সঙ্গে দিবা-নিশির মিতালি করছে নীল পদ্মফুল। জলের আলো ছায়ার নীল পদ্মের লুকোচুরি খেলা মনমুগ্ধ করে আগত পর্যটকদের। প্রকৃতি অপরূপ সাজে সেজে নিজের রূপ দিয়েই আকর্ষণীয় হয়ে উঠায় জলের পদ্মকন্যার মায়ায় আকড়ে ধরে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের। তার এই মনোরম সৌন্দর্য্য দর্শনে ঈদের ছুটিতে প্রকৃতি প্রেমীরা ছুটে আসেন মাধবপুর লেকে। নয়নভিরাম এ জলারণ্য দল বেঁধে দেখতে গত বছরের তুলনায় এ বছর দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আগমন বেশি ঘটে বলে জানান লেকের প্রধান ফটকে দায়িত্বে থাকা বাবুল সরকার। মাধবপুর লেকে বেড়াতে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, ‘মাধবপুর লেক দেখলে নয়ন জুড়িয়ে যায়। এখানে বার বার আসতে মন চাইবে।’
কমলগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিঃমিঃ পূর্ব-দক্ষিণে রাজকান্দি বন রেঞ্জের কুরমা বনবিট এলাকার প্রায় ১০ কিঃমিঃ অভ্যন্তরে দৃষ্টিনন্দন ঝর্ণাসুন্দরী হামহাম জলপ্রপাত দেখে এসে ঢাকার কয়েকজন পর্যটক জানান, ‘মাধবকুন্ডের চেয়েও সুন্দর হামহাম জলপ্রপাত। প্রায় ১০ কি:মি: পায়ে হেটে গেলেও মুগ্ধ হই সেখানে গিয়ে।’
সবার ছুটোছুটিতে পর্যটন স্পটগুলো যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সব মিলিয়ে পর্যটনের জেলা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আনন্দ ও উৎসবে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদ উল আযহা।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।